এবি ব্যাংক পিএলসি সম্প্রতি স্কলাস্টিকা স্কুলের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি (মেমোরান্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং) স্বাক্ষর করেছে, যার মাধ্যমে ব্যাংকের স্থায়ী কর্মকর্তাদের সন্তানরা স্কুলে ভর্তি হওয়ার সময় ভর্তি ফি’র ওপর সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ ছাড় পেতে পারবেন।
চুক্তি স্বাক্ষরের অনুষ্ঠানে এবি ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত), মিঃ রিয়াজুল ইসলাম এবং স্কলাস্টিকা স্কুলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিসেস সৈয়দা মাধিহা মুরশেদ তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিঃ জেড এম বাবর খান, মিঃ মহাদেব সরকার সুমন এফসিএ, এবং স্কলাস্টিকা স্কুলের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মিঃ মোহাম্মদ শাহিদুল হক, সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।
এই সমঝোতা চুক্তি দুটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শিক্ষা ও কর্পোরেট কল্যাণের ক্ষেত্রে একটি নতুন ধারা স্থাপন করেছে। বিশেষত, ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সন্তানদের শিক্ষাগত সহায়তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্কুলের শিক্ষার মান ও সম্প্রসারণের সুযোগ বাড়ানো হয়েছে।
নিচের টেবিলে চুক্তির মূল বিষয়বস্তু এবং সুবিধাসমূহ সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হলো:
| বিষয়বস্তু | বিবরণ |
|---|---|
| চুক্তি পক্ষ | এবি ব্যাংক পিএলসি এবং স্কলাস্টিকা স্কুল |
| সুবিধাভোগী | এবি ব্যাংকের স্থায়ী কর্মকর্তা ও তাদের সন্তানরা |
| ছাড়ের পরিমাণ | ভর্তি ফি’র সর্বাধিক ৫০% |
| স্বাক্ষরকর্তা | মিঃ রিয়াজুল ইসলাম (এবি ব্যাংক) ও মিসেস সৈয়দা মাধিহা মুরশেদ (স্কলাস্টিকা স্কুল) |
| অনুষ্ঠানে উপস্থিত | অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও অন্যান্য কর্মকর্তা |
এবি ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “এই সমঝোতা চুক্তি আমাদের কর্মকর্তাদের সন্তানদের শিক্ষাগত সুযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার একটি সুস্পষ্ট উদাহরণ। আমরা আশা করি, এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হবে।”
স্কলাস্টিকা স্কুলের পক্ষ থেকে মিসেস সৈয়দা মাধিহা মুরশেদ বলেন, “এবি ব্যাংকের সঙ্গে আমাদের এই সহযোগিতা শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং পারস্পরিক কল্যাণে একটি নতুন ধারা তৈরি করবে। এটি শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, উভয় প্রতিষ্ঠানের জন্যও একটি প্রগতিশীল পদক্ষেপ।”
চুক্তি স্বাক্ষরের পর উভয় পক্ষ একে অপরের সহযোগিতা এবং দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের জন্য ইতিবাচক প্রত্যাশা প্রকাশ করেছে। এটি শিক্ষাক্ষেত্রে কর্পোরেট সহায়তার একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মোটপক্ষে, এই উদ্যোগ শিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যাংক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যকার অংশীদারিত্বের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে এবং কর্মকর্তাদের সন্তানদের শিক্ষার মানোন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।
