“বাংলা ব্যাংক কেস” [ কেস নম্বর ২৬ ]
একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তুলা আমদানীর জন্য Bangla Bank-এ একটি হিসাব খুললেন। তার উদ্দেশ্য প্রায় এক মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের তুলা আমদানী করা। তার এই হিসাব খোলার পরপরই তিনি উক্ত ব্যাংকে যথাক্রমে ৫০০০০ হাজার ও ১৫০,০০০ মার্কিন ডলার সমমূল্যের গেট দুটি প্রত্যয় পত্র খোলার প্রস্তাব দেন। এক্ষেত্রে মার্জিন হিসাবে শতকরা ১০ ভাগ রাখার জন্য বলা হয়।
প্রথম প্রত্যয় পত্রের ক্ষেত্রে আমদানীকৃত পণ্য (SOS) এস. জি. এস. পরিদর্শনের শর্ত আরোপ করা হয়। কিন্তু ইতঃমধ্যে উক্ত পরিদর্শন আইন সংশোষিত হয়। নতুন আইনে এরূপ সংযুক্তি ঘটে যে আমদানীকৃত পণ্য এস. জি. এস. বা যে কোন আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত যোগ্য পরিদর্শক দ্বারা পরিদর্শিত হতে হবে।
Opening Bank বিদেশী Advising Bank কে এল সি টি কনফার্ম করতে বলে। কিন্তু উক্ত Advising Bank তা করেনি। যথাক্রমে জাহাজী দলিল বুঝে পাবার পর Opening Bank দেখলো যে, Advising Bank উল্লেখিত কোন অনুরোধই রাখেনি। Opening Bankবকৃত পণ্যের আমদানীকারককে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র গ্রহন করে লেনদেনের নিষ্পত্তি ঘটাতে বলে।
কিন্তু কি আমদানীকারক ব্যাংক তার হয়ে পণ্য খালাস করতে এবং তাকে Lim (Loan Against Imported marchandise) সুবিধা প্রদানের অনুরোধ জানায়। ব্যাংককে বাধ্য হয়ে তা করতে হয়। কিন্তু পদ্ম ছাড়িয়ে আনার পূর্বে ব্যাংক উক্ত আমদানীকৃত পক্ষের মান যাচাই করে গিয়ে দেখল যে প্রতায় পত্রে উল্লেখিত দ্রব্যের মানের চাইতে তা নিম্নমানের। পরিণতিতে ব্যাংক বিরাট আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়।