“কল্পনা ব্যাংক কেস” [ কেস নম্বর ৩৭ ]
কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকার কারণে কল্পনা ব্যাংক (নেগোশিয়েটিং) ব্যাংক কিছু জাহাজীকরণ দলিল ওপেনিং ব্যাংকের নিকট পাঠাল। কিন্তু ক্রেতা দলিলটি গ্রহন করল না এবং সঙ্গত কারণেই ওপেনিং ব্যাংক দলিলগুলো কল্পনা কাকে পাঠিয়ে দিল। বিক্রেতা তখন আরেকজন ক্রেতার সাথে ৪০% বাট্রায় মালগুলো বিক্রির কথাবার্তা চূড়ান্ত করল কিন্তু এর জন্য বিক্রেতাকে একটি বড় রকমের ক্ষতি স্বীকার করতে হয়।
তখন কল্পনা ব্যাংক নিলামে মাল বিক্রি এড়ানোর জন্য ৪০% বাট্টায় মাল বিক্রি করতে রাজি হল। এই অনুযায়ী বিক্রেত একটি নতুন প্রভায়পত্র ক্রেতার নিকট হতে গ্রহন করল। কিন্তু নতুন ঋণ অনুযায়ী বিক্রেতা কোন শর্ত ঠিক করতে পারল না এবং পরিণামে ব্যাংক আবার টাকা সংগ্রহের জন্য দলিল পাঠাল। এখন ৩০ দিনের দর্শনী বিলের ভিত্তিতে ক্রেতা ওপেনিং ব্যাংকে দলিল পত্র গ্রহনের প্রস্তাব করল।
নেগোশিয়েটিং ব্যাংক এই শর্তের ভিত্তিতে তাদের ওপেনিং ব্যাংকের প্রস্তাব গ্রহন করল যে, কল্পনা বাংক সমস্ত টাকা গ্রহন করার পরই তারা ক্রেতার কাছে দলিল গুলো পাঠাবে। কিন্তু মেয়াদপূর্তিতে কালেকটিং/কল্পনা ব্যাংক টাকা আদায় করতে পারল না এবং ক্রেতা কল্পনা ব্যাংকের কাছ থেকে একটি বানোয়াট তথ্য তৈরি করে যে, বিক্রেতা আরও ১০% বাটা তাকে মঞ্জুর করবে। কিন্তু বিক্রেতা এই তথ্যের ব্যাপারে কিছুই স্বীকার করল না। দয়া করে ব্যাপারটি আলোচনা করুন।