ঢাকা, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫: পাবালী ব্যাংক পিএলসি সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে অংশীদারিত্বে একটি কো-ব্র্যান্ডেড ক্রেডিট কার্ড চালু করেছে। এই নতুন উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আলী চৌধুরী সেনেট ভবনের সেমিনার রুমে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াज़ আহমেদ খান, যিনি এই যৌথ উদ্যোগের গুরুত্বের উপর আলোকপাত করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাবালী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ আলী, যিনি বলেন, “এই কো-ব্র্যান্ডেড কার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য আর্থিক সুবিধা এবং সহজতার নতুন দিগন্ত খুলবে।”
এই চুক্তির অধীনে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা পাবালী ব্যাংক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো যুক্ত ক্রেডিট কার্ড পাবেন। এই কার্ডের মাধ্যমে তারা পাবালী ব্যাংকের বিভিন্ন সুবিধা যেমন কাস্টমাইজড অফার, বিশেষ ডিসকাউন্ট, পয়েন্ট বোনাস এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাবালী ব্যাংক পিএলসির অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা, যারা এই প্রজেক্টের বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
| নাম | পদবী | দায়িত্ব |
|---|---|---|
| আবু লইচ মো. সামসুজ্জামান | জেনারেল ম্যানেজার | ঢাকা সেন্ট্রাল অঞ্চলের প্রধান |
| এন. এম. ফিরোজ কামাল | ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার | কার্ড বিজনেস বিভাগের প্রধান |
| মস্তু. মাসুমা খাতুন | ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার | শাহবাগ শাখার প্রধান |
| ফারহানা হক | সহকারী জেনারেল ম্যানেজার | শিশু পার্ক শাখার প্রধান |
| মোসাব্বির হোসেন তালুকদার | সহকারী জেনারেল ম্যানেজার | কার্ড সেলস বিভাগের প্রধান |
উদ্যোগটি শুধুমাত্র আর্থিক সুবিধা প্রদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি পাবালী ব্যাংক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতার নতুন অধ্যায় শুরু করেছে। ব্যাংক এবং বিশ্ববিদ্যালয় উভয়ই এই উদ্যোগকে শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়ন, আর্থিক স্বচ্ছতা এবং কর্মচারীদের জন্য সুবিধা বৃদ্ধির দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের কো-ব্র্যান্ডেড উদ্যোগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে। এছাড়া, এটি ব্যাংকের কার্ড ব্যবসার প্রসার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীদের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য কার্যকর উপায় হিসেবে কাজ করবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিরা উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিশ্বস্ততা, স্বচ্ছতা ও সমন্বিত উদ্যোগ বাড়ানোর গুরুত্বের উপর গুরুত্বারোপ করেন, যা ভবিষ্যতে আরও বিভিন্ন প্রকল্পে পরিণত হতে পারে।
