প্রাইম ব্যাংক পিএলসি ও আক্তার প্রপার্টিজ লিমিটেড দেশের আবাসন ও ব্যাংকিং খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ যৌথ উদ্যোগের অংশ হিসেবে গ্রাহকদের জন্য নতুন সুবিধা প্রদান শুরু করেছে। এই সহযোগিতার মাধ্যমে ঘর কেনার আগ্রহীদের জন্য ব্যাংক-ভিত্তিক সুবিধা ও আকর্ষণীয় ছাড় প্রদান করা হবে।
ঢাকায় প্রাইম অ্যাসপাইরে আয়োজিত আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রাইম ব্যাংকের এক মিডিয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চুক্তির লক্ষ্য হলো আক্তার প্রপার্টিজের অ্যাপার্টমেন্ট ক্রেতাদের জন্য হোম লোনের মাধ্যমে বিশেষ সুবিধা প্রদান করা।
চুক্তি অনুযায়ী, প্রাইম ব্যাংক থেকে হোম লোন নিয়ে আক্তার প্রপার্টিজের অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয় করলে ক্রেতারা মূল দামের উপর ৫ শতাংশ বিশেষ ছাড় পাবেন। এই ছাড় সুবিধা ব্যাংকের কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, ফলে তারা একই সুযোগ ভোগ করতে পারবেন।
আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর করেন প্রাইম ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব ডিস্ট্রিবিউশন মামুর আহমেদ এবং আক্তার প্রপার্টিজের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ আক্তার বিস্বাস। অনুষ্ঠানে অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন, যেমন প্রাইম ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব কার্ডস ও রিটেইল অ্যাসেট জোয়ার্দার তানভীর ফয়সাল এবং আক্তার প্রপার্টিজের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. সাজ্জাদ মাসুদ।
এই অংশীদারিত্ব উভয় প্রতিষ্ঠানকেই গ্রাহক-কেন্দ্রিক সেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধতা প্রকাশের সুযোগ দিয়েছে। এছাড়া এটি দেখাচ্ছে, কিভাবে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও রিয়েল এস্টেট ডেভেলপাররা মিলিতভাবে গ্রাহকদের জন্য স্বনির্ধারিত সুবিধা তৈরিতে কাজ করছে।
প্রাইম ব্যাংক–আক্তার প্রপার্টিজ চুক্তির মূল বিষয়সমূহ
| বৈশিষ্ট্য | বিস্তারিত তথ্য |
|---|---|
| অ্যাপার্টমেন্টে ছাড় | মূল দামের উপর ৫% |
| প্রযোজ্য গ্রাহক | প্রাইম ব্যাংকের হোম লোন গ্রাহক ও কর্মচারী |
| অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান | প্রাইম ব্যাংক পিএলসি ও আক্তার প্রপার্টিজ লিমিটেড |
| স্বাক্ষরের স্থান | প্রাইম অ্যাসপায়ার, ঢাকা |
| মূল স্বাক্ষরকারী | মামুর আহমেদ (প্রাইম ব্যাংক), মোহাম্মদ আক্তার বিস্বাস (আক্তার প্রপার্টিজ) |
| সহায়ক কর্মকর্তা | জোয়ার্দার তানভীর ফয়সাল, মো. সাজ্জাদ মাসুদ, অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তা |
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সহযোগিতা প্রাইম ব্যাংকের হোম লোন পোর্টফোলিওকে শক্তিশালী করবে এবং একই সঙ্গে আক্তার প্রপার্টিজের আবাসিক প্রকল্পগুলোর প্রসারের জন্য সহায়ক হবে। এটি গ্রাহক সন্তুষ্টি ও আনুগত্য বৃদ্ধি করবে এবং ব্যাংক ও রিয়েল এস্টেট খাত উভয়ের উন্নয়নে প্রভাব ফেলবে।
সংশ্লিষ্টদের ধারণা, ভবিষ্যতে এই ধরনের উদ্যোগ আরও ব্যাপক হবে, যেখানে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও আবাসন নির্মাতা একযোগে কাজ করে গ্রাহকদের জন্য মানসম্মত সুবিধা প্রদানে এগিয়ে আসবে।
এই উদ্যোগ বাংলাদেশের ব্যাংকিং ও রিয়েল এস্টেট খাতে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, যা গ্রাহক এবং প্রতিষ্ঠান উভয়ের জন্যই ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
