ব্যাংকে আমানতের প্রবৃদ্ধি দৃঢ় থাকলেও বেসরকারি খাতে ঋণ সম্প্রসারণে স্থবিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। খাদ্যপণ্যের দাম কমার কারণে সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতি একক অঙ্কে নেমে এসেছে। তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের রাজস্ব আদায় এখনও লক্ষ্য সীমার তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) নভেম্বর মাসের ইকনোমিক আপডেট এন্ড আউটলুক প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। সংস্থাটি সোমবার প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রপ্তানি ক্ষেত্রে কিছু অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে, তবে মধ্যম পর্যায়ের পুনরুদ্ধার আশা করা হচ্ছে। খাদ্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল হওয়ায় এবং সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতির কারণে সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস পাচ্ছে। অভ্যন্তরীণ সরবরাহ শৃঙ্খলের ধীর স্থিতিশীলতা এবং আমদানিকৃত পণ্যের চাপ কম থাকার কারণে, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতি ৮ দশমিক ১৭ শতাংশে নেমেছে, যা ২০২৪ সালের অক্টোবরের ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশ থেকে কম।
খাদ্য মূল্যস্ফীতি অক্টোবর মাসে ৭ দশমিক ০৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বহির্ভূত মুদ্রাস্ফীতি সামান্য বেড়ে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশে পৌঁছেছে, যা আবাসন, পরিবহন এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতে চাপের ইঙ্গিত দেয়।
চালের দাম ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে কমতে শুরু করে। নতুন আমন ফসল, আমদানি এবং সরকারি ক্রয় বৃদ্ধির কারণে দেশীয় মজুদ বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে চালের গড় খুচরা মূল্যও কমেছে। অক্টোবর মাসে চালের মূল্যস্ফীতি ১৩ দশমিক ৭৭ শতাংশে নেমেছে। মাছ এবং মাংস খাদ্য মুদ্রাস্ফীতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এজে
