সবসময় সময়ের সঙ্গে পাল্লা দেওয়া ব্যস্ত নগরী ঢাকায় এক টুকরো শান্তি নেমে এলো গুলশানের শাহাবুদ্দিন পার্কে। উন্মুক্ত আকাশের নিচে যোগ, নৃত্য, শিল্প আর সচেতন জীবনের সম্মিলনে ফিরে এলো ঢাকা ফ্লো ফেস্ট ২০২৫—এক উৎসব যা শরীর, মন ও আত্মার সেতুবন্ধন ঘটায়।
অসংখ্য কণ্ঠের মধ্যে, যারা আধুনিক জীবনে ভারসাম্যের আহ্বান জানাচ্ছিলেন, সবার মাঝে বিশেষভাবে দৃষ্টি কাড়েন ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি)-এর চেয়ারম্যান শরীফ জাহির।
ফেস্টিভ্যালের দ্বিতীয় দিনে “পার্টনার্স ইন ফ্লো” শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি কেবল একজন ব্যাংকার হিসেবেই নয়, বরং একজন সচেতন জীবনযাপনের বিশ্বাসী হিসেবে বক্তব্য দেন।
তিনি বলেন, ইউসিবি টেকসই উন্নয়ন এবং কর্মী, গ্রাহক ও সমাজের সার্বিক কল্যাণে গভীর অঙ্গীকার নিয়ে নতুন উদ্যম ও লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।
তার বক্তব্য ইউসিবির সাম্প্রতিক টেকসই উদ্যোগের প্রতিফলন—যেখানে কর্মীদের সুস্থতা, পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম এবং সামাজিক দায়বদ্ধতাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
শরীফ জাহির জোর দিয়ে বলেন, আধুনিক প্রতিষ্ঠানের জন্য সুস্থতা ও স্থায়িত্ব আর অতিরিক্ত দায়িত্ব নয়, বরং ভবিষ্যৎ গঠনের মূল দর্শন।
সূর্য যখন গুলশানের আকাশরেখার পেছনে মিলিয়ে গেল, তখনও উৎসবের অংশগ্রহণকারীরা প্রবাহিত হচ্ছিলেন এক ধাপ থেকে অন্য ধাপে—যোগব্যায়াম থেকে হাসির চক্রে, সুরেলা সংগীত থেকে নীরব ধ্যানের মুহূর্তে।
অতিথিরা উৎসবের অনুপ্রেরণামূলক পরিবেশ ও সযত্ন আয়োজনের প্রশংসা করেন, যা তাদের মনে সচেতনতা, সংযোগ ও আত্মচিন্তার অনুভূতি জাগিয়েছিল।
এখন বার্ষিক আয়োজন হিসেবে নিজস্ব ছন্দে বিকশিত ঢাকা ফ্লো ফেস্ট কেবল একটি ওয়েলনেস ইভেন্ট নয়—এটি এমন একটি আন্দোলন, যা নগরজীবনের মানুষকে থামতে, শ্বাস নিতে এবং নিজেকে নতুনভাবে সংযুক্ত করতে স্মরণ করিয়ে দেয়।
ইউসিবির জন্য, এমন একটি প্ল্যাটফর্মকে সমর্থন করা কেবল স্পনসরশিপ নয়, বরং একটি অর্থবহ বার্তা—একটি আধুনিক ব্যাংক শুধু আর্থিক সাফল্যের প্রতীক নয়, বরং মানবিক ভারসাম্য, সামাজিক সম্প্রীতি এবং টেকসই অগ্রগতির প্রতিফলনও হতে পারে।
