বাংলাদেশে নভেম্বর ২০২৩ মাসের প্রথম ২২ দিনে ২.১৩ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স প্রবাহিত হয়েছে, যা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক রবিবার প্রকাশিত সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী। এই রেমিট্যান্স প্রবাহ বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে সাহায্য করছে এবং অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উৎস হিসেবে কাজ করছে।
বর্তমান ২০২৫-২৬ অর্থবছরের (FY 2025-26) প্রথম ২২ দিনে ১২.২৮ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ে ১০.১৭ বিলিয়ন ডলার থেকে ১৪.৭% বৃদ্ধি নির্দেশ করছে। এই প্রবৃদ্ধি প্রমাণিত করছে যে প্রবাসীরা বাংলাদেশের ব্যাংকিং সিস্টেমে আরও বেশি বিশ্বাস রেখে রেমিট্যান্স পাঠাতে থাকছে।
এছাড়া, এই ২২ দিনে গড়ে প্রতি দিন প্রায় ৯৭ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। রেমিট্যান্সের এই প্রবাহ বিভিন্ন ধরনের ব্যাংকে ভাগ হয়ে পৌঁছেছে। বেসরকারি ব্যাংকগুলো সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পেয়েছে, যা মোট ১.৪৮ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো পেয়েছে ৪২৪ মিলিয়ন ডলার, বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো ২১৮ মিলিয়ন ডলার, এবং বিদেশি ব্যাংকগুলো পেয়েছে মাত্র ৪ মিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংক-এর তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক মাসগুলিতে রেমিট্যান্স প্রবাহে ধারাবাহিকতা দেখা যাচ্ছে। জুলাই মাসে ২.৪৮ বিলিয়ন ডলার, আগস্টে ২.৪২ বিলিয়ন ডলার, সেপ্টেম্বর মাসে ২.৬৮ বিলিয়ন ডলার, এবং অক্টোবর মাসে ২.৫৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এই সংখ্যাগুলো প্রমাণ করছে যে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাংলাদেশের অর্থনীতি stabilise করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
টেবিল: ২০২৩ সালের মাসিক রেমিট্যান্স প্রবাহ
| মাস | রেমিট্যান্স প্রবাহ (ডলার) |
|---|---|
| জুলাই | $2.48 বিলিয়ন |
| আগস্ট | $2.42 বিলিয়ন |
| সেপ্টেম্বর | $2.68 বিলিয়ন |
| অক্টোবর | $2.56 বিলিয়ন |
| নভেম্বর (প্রথম ২২ দিন) | $2.13 বিলিয়ন |
রেমিট্যান্স প্রবাহের ধারাবাহিক বৃদ্ধি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সরকার প্রবাসীদের উৎসাহিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে এবং তাদের মাধ্যমে বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর সুবিধা বাড়ানোর চেষ্টা করছে। এই পদক্ষেপগুলো ভবিষ্যতে আরও রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে সাহায্য করবে।
